রাইটার্স ক্লাব স্পেশাল

বই নিয়ে অবাক করা কিছু তথ্য

চলুন এই প্রহরে জেনে নেয়া যাক বই নিয়ে অবাক করা আরোও কিছু তথ্য😀

▪বিশ্বের বৃহত্তম বইয়ের দোকান। দোকানের বইয়ের তাকগুলো একটার পর একটা সাজালে দৈর্ঘ্য হবে ১২ মাইলের মতো।

▪বিশ্বের সব থেকে বেশি বিক্রিত বইটির নাম ‘এ টেল অব টু সিটিজ’। লন্ডন এবং প্যারিস নিয়ে এই বইটি লিখেছিলেন চার্লস ডিকেন্স।

▪পৃথিবীর প্রথম বই ছিলো আজকের ইরাকে।যা,কাদায় লেখার পর আগুনে পুড়িয়ে তৈরী করা হয়েছিলো।

▪কোন বই পড়বেন ভেবে পাচ্ছেন না?তাহলে জেনে রাখুন পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত ১৩ কোটির বেশী বই ছাপানো হয়েছে।

▪প্রথমের দিকে যেসব বই ছাপানো হতো তাতে লেখকের কোন নাম থাকতো না।সেই সমস্ত বইগুলোকে শিল্পকর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

▪২০১৮ সালে বাংলাদেশের মাহফুজ সিদ্দিকি নামের এক লেখক এমন একটি বায়োফিকশন বই বের করেন যেখানে তিনি বইয়ের কোনো নামই দেয় নি।

▪উত্তর হাঙ্গেরির ছোট্ট একটি গ্রাম সিনপেটরি। ছবির মতো সাজানো। সব মিলিয়ে হয়তো ৩০০ জনের মতো মানুষ বাস করেন সেখানে।কিন্তু হাতে বানানো বিশ্বের সবচেয়ে বইটি এই গ্রামেই। ছয়জনে মিলে বইটির একটি পাতা উল্টাতে হয়।ঐতিহ্যবাহী বই বাঁধাইয়ের কৌশল অবলম্বন করে বিশাল আকৃতির এই বইটি বানানো হয়েছে। ৭১ বছর বয়সী বৃদ্ধ বেলা ভার্গা বইটি তৈরি করেন।

▪সম্পূর্ণ পৃথিবীতে যতগুলো বই বিক্রি হয় তার মধ্যে ৬৮% বই বিভিন্ন বয়সের নারীরা কিনে থাকেন।বাকি ৩২% বই পুরুষেরা কেনেন।

▪টাইপরাইটার ব্যবহার করে লেখা প্রথম বই হচ্ছে যুক্তরাজ্যের লেখক মার্ক টোয়েনের, দ্যা অ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়্যার।

▪The Ripley Scroll Book- যা যাদুর বই নামেও পরিচিত।এতে দেখানো হয়েছে কীভাবে অমরত্ব লাভ করা যায় আবার পরশ পাথর কীভাবে বানানো যায়।কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এর সাংকেতিক চিহ্ন আর কোডগুলো দুর্বোধ্য।

▪আইসল্যান্ডের নাগরিকেরা পৃথিবীর সবথেকে বেশী বই ছাপেন।এখানে প্রতি দশজন নাগরিকের একজন বই লেখেন।

▪নরওয়েতে যদি কোন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি নিজে লিখে কোন বই ছাপেন তাহলে দেশটির সরকার ১০০০ কপি কিনে নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন লাইব্রেরীতে পাঠিনে দেয়।তবে শিশুদের বই হলে কেনেন ১৫০০ কপি।

▪খ্যাতিমান চিত্রকর লিউনার্দো দ্যা ভিঞ্চির একটি পান্ডুলিপি কোডেক্স লেইসেষ্টার বিল গেটস কিনেছিলেন ৩ দশমিক ১ কোটি ডলার ব্যয় করে।তিনি বইটির ডিজিটাল ভার্সন বিশ্বের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে দিয়েছেন। দুই কোটি দশ লাখ ডলার মূল্যের বইটি বিশ্বের আরেকটি দামি বই। ২০০৭ সালে লন্ডনে এ বই বিশ্বের দ্বিতীয় মূল্যবান বই হিসেবে বিক্রি হয়। বর্তমান বিশ্বে এ বইয়ের ১৭টি কপি আছে।

▪পুরনো কিংবা নতুন বইয়ের গন্ধ আপনার ভালো লাগে.? জেনে রাখেন,একে বলে ‘বিবলিওসমিয়া’ ।

▪পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী বই ছাপা হয় ইংরেজী ভাষায়।যা বিশ্বের মোট ছাপানো বইয়ের ২২ শতাংশ।এর পরই রয়েছে চীনা ভাষার অবস্থান-১১ শতাংশ।

  • মহাগ্রন্থ আল কোরআন প্রথম মুদ্রিত প্রকাশ ১৭২০ সাল, হামবুর্গ। এর আরবি ভার্সনটাই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী বিক্রিত গ্রন্থ। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ হাজার পেশাদার ও অপেশাদার প্রকাশক এটি প্রকাশ করে থাকে। প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের প্রকাশনা থেকে প্রায় ২ কোটি এবংবিক্রয় ১ কোটি ৫ লাখ ছেড়ে যায়। বাকী কপি বিভিন্ন দেশে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
  • ১৯৮১ সালে প্রথম প্রকাশিত “কোডেক্স সেরাপোনিয়া” বইটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। ১২৭ পৃষ্টার এই বইটি লিখেছে লুইগি সেরাফিনিয়া। ইতিলিয়ান লেখক সেরাফিনিয়া সম্পূর্ণ কাল্পনিক ভাষায় লিখেছে বইটি।ধারণা করা হয় বইয়ের চিত্র আর ভাষাগুলোর সাথে এলিয়েনের যোগসূত্র আছে।

🍁বই নিয়ে অবাক করা কিছু তথ্য:📚

🌸১. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ৪ খানা বই আছে যা মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধাই করা।

🌸২. মাথাপিছু বই পাঠের দিকে শীর্ষে হলো আইসল্যান্ড ।

🌸৩. বই পড়া মানুষের অ্যালজাইমার রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত কম।

🌸৪. ব্রাজিলের কারাগারে প্রতি একটি বই পাঠের জন্য ৪ দিন সাজা মওকুফ হয় ।

🌸৫. ভার্জিনিয়া উলফ তাঁর সব বই দাঁড়িয়ে লিখেছিলেন।

🌸৬. সবচেয়ে চুরি হয় যে বইটি সেটা হলো বাইবেল।

🌸৭. রুজভেল্ট প্রতিদিন গড়ে ১টি বই পড়তেন।

🌸৮. শুধু দাবা খেলার উপরই ২০০০০+ বই আছে।

🌸৯. ভিক্টর হুগোর লা মিজারেবল বইয়ে একটি বাক্য আছে যেখানে ৮২৩টি শব্দ ।

🌸১০. হারি (Hurry), অ্যাডিকশন (Addiction) এসব শব্দ শেক্সপিয়ারের আবিস্কার ।

🌸১১. নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরীর সব বই একসাথে লাইন করে রাখলে ৮ মাইল লম্বা হবে।

🌸১২. লেভ তলস্টয়ের বিশাল উপন্যাস ওয়ার এন্ড পিসের পান্ডুলিপি তাঁর স্ত্রী হাতে লিখে ৭ বার কপি করেছিলেন ।

১৩. নোয়াহ ওয়েবস্টার তাঁর প্রথম ডিকশনারী লিখতে সময় নিয়েছিলেন মাত্র ৩৬ বছর ।

এই রকম আরো পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close