নন ফিকশন

প্রত্যাশিত নারী (পর্ব- ২)

রায়ান সাহেব তড়িঘড়ি করে কাউন্সিলরের বাসায় যায়। গিয়ে দেখে কাউন্সিলরের পরিবার বেশ আতংকিত। কারণ চারপাশে পুরুষরা নির্যাতিত হচ্ছে।
বিরবণ চাইলে কাউন্সিলর বলেন, “আমার ছেলে আমার কাছে ১২ হাজার টাকা নিয়ে গেছিল গত পরশু দিন কিসব হ্যাং আউট না কি যেন করবে বন্ধুদের সাথে,কিন্তু সেদিনই ফেরার কথা। আজ দুদিন হতে চলল সে ফিরে নি। তার সাথে বন্ধুগুলোও ফেরেনি। বেশি চিন্তিত এ নিয়ে কারণ তার মোবাইল ও বন্ধ, কোনো যোগাযোগ নেই গত দুদিন থেকে”

এর আগে কখনো এমন হয়েছে?

না, দুদিন নিখোঁজ থাকে নি, কিন্তু হ্যাঁ বন্ধুদের সাথে প্রায়ই যেত, আমার কাছে টাকা নিয়ে।

আপনি কি জানেন তারা কোথায় গেছে বা কোথায় যাওয়ার কথা?

না স্যার, সে তো প্রায়ই এমন ঘুরতে যায়, আমিও ভাবসি তেমনই। কখনো এমন হয়নি তাই এবারও সেরকম খেয়াল করিনি। কিন্তু এখন যেমন অবস্থা, না জানি আমার ছেলেটা কেমন আছে!
(বলেই কাউন্সিলর কান্নায় ভেঙে পড়ে)
তারপর মি.রায়ান সবার কাছ থেকেই ঐ বাড়ির ছেলের ছবি, তার বন্ধুদের ছবি এবং কি করত এসব খুঁটিনাটি জিজ্ঞেস করে।
তিনি বারংবার বলছিলেন এমন কোন দিন হয়েছে নাকি যে সে বাসায় ছিল না, হ্যাং অাউটে বাইরে থেকেছে। সবাই অস্বীকার করে, সে থাকেনি বলে জানায়।
হুট করে ছেলেটির ছোট বোন বলে, “ভাইয়া একবার দুদিন ছিল না, বন্ধুদের সাথে পিকনিক যায় নি, কিন্তু কোথায় যেন গেছিল”
.
সাথে সাথে তার মা তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে, “না স্যার ও পিকনিকে গেছিল সেদিন”
এবং তিনি তার মেয়ের দিকে তাকিয়ে কি যেন ইশারা করেন।
.
মেয়েটির অস্পষ্ট কথার আগা গোড়া কিছুই বুঝতে না পেরে রায়ান সাহেব তার পরিবারকে বলে কিছু না লুকিয়ে সব কিছু খুলে বলতে।
কিন্তু তাদের কথা তারা কিছুই লুকাচ্ছে না!
.
অফিসার তাদের বাসা ত্যাগ করে থানায় রওনা দেয় এবং ছেলেটির লাস্ট লোকেশন চেক করে তার মোবাইল নাম্বার দিয়ে।
সেখানে তেমন দূরত্ব তিনি দেখতে পান না, এলাকার আশে পাশেই ছিল তার লাস্ট লোকেশন।
.
এরই মাঝে হুট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়, একটি ছেলে তার করা ক্রাইম স্বীকার করছে কার কাছে যেন। ক্যামেরা টা হয়ত তার অগোচরে রেখেছিল যার দরুণ সে পৈশাচিক হাসি দিয়ে নিজেই তার গুণকীর্তন করছে সাথে খুব বাজে বাজে অঙ্গভঙ্গির সাথে নোংরা কথাবার্তা। ভিডিওতে এক সময় সে কারো সাথে নোংরামি করার জন্য উলঙ্গ হয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিমা শুরু করে। সে তার এলাকার একটা মেয়েকে বিনা অপরাধে সামান্য প্রতিবাদ করায় তাকে দুদিন ধরে গণধর্ষণ করে তার নিজ হাতে মেরে ফেলে এসব কথাও বলেছে ভিডিও টিতে।
এবং এও বলেছে প্রশাসন তার বা* ও নাকি ছিড়তে পারবে না, কারণ সে প্রভাবজাত পরিবারের!
এবং সেই ভাইরাল হওয়া ভিডিও টি আর কারো নয়, কাউন্সিলরের সেই ছেলে প্রিন্স, এবং ভিডিওটি তারই ফেসবুক আইডিতেই পোস্ট করা হয়েছে। সেটি ইতোমধ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ দেখে আবার শেয়ারও করেছে!
.
মুহুর্তেই কাউন্সিলরের মান সম্মান সব ধুলোয় মিশে যায়।
সে পুলিশেরর কাছে গিয়ে জিডি করে।
কিন্তু ততক্ষণে ভিডিও লিক হয়ে গেছে এবং সবাই থু থু ফেলছে!
.
এই সময় তার মোবাইলের লোকেশন ট্রাক করা যায় কারণ মোবাইলটি বন্ধ থেকে খোলা হয়েছে।
পুলিশ ফোর্স নিয়ে রায়ান সাহেব দ্রুত সেই জায়গায় যায় এবং সেখানে গিয়ে চারজনকে অাহত অবস্থায় ডাস্টবিনের ভেতরে পায়।
এরই মধ্যে পুলিশ চেক করে দেখে প্রিন্স মৃত!
.
প্রিন্স সহ বাকি তিনজনকে নিয়ে তিনি দ্রুত হাসপাতালে যান।
বাকি তিনজনের অবস্থায় খুব বাজে কিন্তু জীবনাশঙ্কা নেই অর্থাৎ তারা বাঁচবে!
.
প্রিন্সের বডি দ্রুত পোস্ট মর্টেম করার জন্য বলা হয়।
তারা যে স্পটে ছিল সেখানে একটা চিরকুট পাওয়া যায় যাতে লিখা ছিল ‘যার জায়গা যেথায়, সে থাকবে সেথায় ‘
.
রহস্যঘন হয়ে ওঠে পুরো বিষয়টা। কে করছে এসব? খুনি আবার ফিল্মি স্টাইলে চিরকুট রেখে গেছে!
.
এইসব দেখে তার মাথায় হঠাৎ খেয়াল আসে বাকিদের ও যেহুতু আহত করা হয়েছে সেহুতু প্রিন্সের মত তাদেরও ভিডিও থাকার কথা!
কিন্তু তাদের কোনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয় নি।
তাও তিনি সেই ভিক্টিম ছেলেগুলোর কাছে যা ছিল তা নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করে। তাদের প্রত্যেকের সেল ফোনে তাদের করা ক্রাইমের কনফেশনের ভিডিও পান।
মি.রায়ানের আর বুঝতে বাকি রইল না কেন তাদের এই হাল!
অবশ্যই তারা তাদের ক্রাইমের সাজা উপযুক্ত সময়ে পায়নি তাই কেউ হয়ত দিয়েছে এভাবে!
কিন্তু সে কে বা কারা?
এত নিখুঁত ভাবে সে কাজ গুলো করেছে যার ক্লু ও রেখে যায়নি চিরকুট টি ছাড়া। ছেলেগুলোর সেন্স ফিরে নি জন্য সে কিছু জানতে পারছেনা তাদের কাছে।
তাই সে ছেলেগুলোর এলাকায় গিয়ে এলাকার মানুষের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা কেমন এসব জানতে।
অনেকেই মুখ খুলতে নারাজ, কিন্তু এলাকার এক ভাঙা চায়ের দোকানে কাজ করা ১২-১৩ বছরের একটা ছেলে বলে, ” আপনেরে একখান কথা কমু ছার,একটু শুনবেন?”
রায়ান সাহেব বুঝতে পারে হয়ত ছেলেটা এমন কিছু বলতে চাচ্ছে যার খোঁজেই তিনি এখানে!
তাই তাকে নিয়ে একটু ফাঁকে গিয়ে বলে, “কি বলবে বল, কোনো ভয় করো না, তুমি কি কিছু জানো?”
-ঐ পোলা গুলান ভালা না ছার, কাউরে কয়েন না আবার আমি আপনেরে কইসি এগলান কথা, নইলে আমারে ডাঙ্গায়া মারব।

কে মারবে তোমাকে? কাদের কথা বলছ?

জানি না ছার, তয় ওগোর লগে কেউ লাগতে যায় না, হেরা কাউন্সিলার না, হেব্বি পাওয়ার আছে নাকি, সবাইরে ধমকায়া রাখে।

কেউ কিছু জানবে না, আমি বলব না কাউকে, তুমি বল কি কি জানো তুমি।
-জানেন ছার ঐ পেলাগুলান মারামারি করে কেউ কিছু কইলে, যদি খেলায় ও হাইরা যায় তাও মারে মাইনসেরে। হেরা পোত্তেক দিন এই হানে খাড়াইয়া থাকে আর কোনো মাইয়া বা আপু গেলে কি সব খারাপ খারাপ কতা কয়। আমারে মাঝে সাঝে ডাইকা কয় যা তো ঐ মাইয়ার কাপড় ডা টাইনা আন, আমি একদিন হেগোর এমন কথা শুইনা চিক্কুর মাইরা এই দোকানে আয়া পড়সি, ভয়ে আর দুইদিন বিছানা থিক্কা উঠতে পারি নাই জ্বরে। আপনে কন ছার বড় বোনের নাহাল আপাদের লগে কেউ এমন করে?
কিন্তু ঐ ছ্যামড়া গুলান ওমন।
ওগরে কেউ কিছু কইতে পারে না ভয়ে।
খালি মাইয়া গুলা ভয়ে মুখ বন্ধ কইরা সব সহ্য করে, মাঝে মাঝে আমার মন ডায় চায় হেগোরে ধইরা খুব পিডন দেই।
শুনলাম প্রিন্স নামের পোলাডারে নাকি কেডায় মাইরা ফেলাইসে?
কুব ভালা কাম করসে!
.
মি.রায়ানের আর বুঝতে বাকি রইল না এরা সামান্য ক্ষমতার কত বেশি অপব্যাবহার করছে।
সে আবার জিজ্ঞেস করে তারা কাউকে খুন করেছে নাকি, এ সম্পর্কে কিছু জানে নাকি।
উত্তরে ছেলেটা বলে, “হ শুনছিলাম রহমত ছারের বড় মাইয়া রাইশা আপারে নাকি হেরায় মারসে, দুই দিন তুইল্লা নিয়া ধইরা রাখছিল, তারপর নাকি মাইরা ফেলাইসে। আর কিছু জানিনা, এগলা কথা কেউ কয় না ভয়ে, নাইলে রাইশা আপার নাহাল অবস্থা হইব সবার। “
তাজ্জব বনে যান মি.রায়ান। এখন কার মত স্বচ্ছ জবাবদিহিতার যুগেও মানুষ সামান্য কাউন্সিলরকে এত ভয় পায়!
আর একটা কাউন্সিলরের এত সাহস হয় কিভাবে এসব কাজ করার!
রেগে-মেগে একবার সিদ্ধান্ত নেয় এখুনি গ্রেফতার করার, পরে আবার ভাবে থাক, এখন এমনিই সে ছেলে হারিয়ে দুঃখে আছে। এখন আর এসবে তাকে না জড়ানোই ভালো!
তারপর ঐ পিচ্চি ছেলেটাকে সাবধান করে দেয় আর কাউকে যেন এসব কথা না বলে, এবং তার হাতে ১০০টাকার চকচকে নোট দিয়ে বলে চকলেট কিনে খেতে!
এই টাকা কিন্তু সে ঘুষ হিসেবে দেয়নি। ছেলেটার সততায় মুগ্ধ হয়ে ভালোবেসে নিজের পকেট থেকে টাকাটা দিয়েছে। ছেলেটা ও নিতে চায়নি!
পরে অবশ্য ভালোবাসার দান হিসেবেই গ্রহণ করেছে..
.
এই দিক পার করে আবার তিনি আগের কেইসে মন দেন। আগের ভিক্টিম গুলোর কি অপরাধে এমন শাস্তি হয়েছে তা খুব ভাবাচ্ছে তাকে।
অতঃপর সে রিক্সা চালকের কাছে যায়। ডাক্তারের কাছে তার রিপোর্ট চায়। ডাক্তার তাকে জানায় খুব বেশি ক্ষতি হয় নি তার, তবে তলপেট থেকে উরু পর্যন্তই ক্ষত হয়েছে। যে এসিড তাকে ছুঁড়ে দেয়া হয়েছিল তা তুলনামূলক ভাবে কম শক্তিশালী ছিল। তবে হ্যাঁ, সেই রিক্সা চালক আর কখনো বাবা হতে পারবে না কারণ তার যৌনাকাঙ্ক্ষা হারিয়েছে চির তরে এসিডের প্রভাবে!
তবে বেঁচে থাকতে পারবে। সার্জারি করে পুরুষাঙ্গ ফেলে দিতে হবে।
.
রায়ান সাহেব তার কাছে তেমন কিছু পান নি যাতে তার ক্রাইম করার স্বীকারোক্তি আছে। তাহলে কি বিনা দোষেই এই রিক্সা চালক শাস্তি পেল?
না না এমন তো হওয়ার কথা না, হয়ত লোক সমাগমে ক্রিমিনাল সুযোগটাই পায় নি!
.
তারপর তিনি ডাস্টবিনের পাশে পড়ে থাকা লোকটির খোঁজ নেয় তার কাছে কিছু পাওয়া গেছে নাকি এ সম্পর্কে। কনস্টেবল বলে স্পটে মানিব্যাগ, শার্ট-প্যান্ট আর একটা সেল ফোন পাওয়া গেছে।
রায়ান সাহেব দ্রুত তাকে সেল ফোনটি আনার জন্য বলেন। এখানেও ভিক্টিমের ক্রাইমের স্বীকারোক্তির ভিডিও আছে। মায়া নামের কোনো এক মেয়েকে ধর্ষণ করেছে সে।
রায়ান সাহেবের প্রশ্ন হাতের কাছে পেয়েও তাকে খুন না করে তাহলে কেন ফেলে রেখে গেল?
কি চাইছে সেই অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ?
.
তারপর তিনি সেই অনার্সে পড়ুয়া ছেলেটার সাথে দেখা করতে যান। তার দুচোখ ব্যান্ডেজ করা, সাথে নিম্নাঙ্গ।
ওর কাছে কোনো ভিডিও পান নি তিনি।
তবে তার সেন্স ছিল, কিন্তু সে কোনো কথা বলেনি।
শুধু বলেছে আমি কিছু জানি না, কাউকে চিনিও না, কে করেছে এমন।
আর আমার কিছু বলারও নেই।
ডাক্তার রায়ান সাহেবকে বলেছেন রোগীকে বেশি না ঘাটাতে। বেশি কথা বললে এবং উত্তেজিত হলে তার নার্ভে টান পড়লে আবার রক্তপাত ঘটবে। তাই রায়ান সাহেব আর কিছু বলেনি সেই ছেলেকে।
.
পরে তিনি নাসিমা বেগমের সাথে কথা বলেন, তার স্বামীর কোনো শত্রু আছে নাকি এবং এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন কি না।
নাসিমা বেগম বলেন তিনি ঘর-সংসার ছাড়া আর কিছু জানেন না কারণ তার স্বামী তাকে কিছুই বলে না।
এখানেও কোনো ক্লু পান না তিনি। তার মাথা অগোছালো হয়ে যায় এত গুলি কেস দেখে, যেগুলোর কূল কিনারাই বের করতে পারেন নি তিনি!
.
পরদিন সকালে নিউজ চ্যানেলে খবর ছেপেছে এক পুরুষকে দিবালোকে কে যেন মুখে এসিড ছুঁড়েছে।
দুই নাম্বার নিউজ হলো পাব্লিক বাসে এক তরুণি এক ৪৭ বছর বয়স্ক পুরুষের আঙ্গুল কেটে দিয়ে চোখে অতিরিক্ত ঝাল মরিচের পানি স্প্রে করেছে।
কারণ হিসেবে দেখা গেছে ঐ পুরুষ ঐ তরুণিকে হ্যারাজমেন্ট করতে পিছন সিট থেকে আঙুল ঢুকিয়ে দিয়েছিল যার শাস্তি হিসেবে তৎক্ষনাত সে শাস্তি পেয়েছে!
রায়ান সাহেব কিছুটা খুশি হলো এই ভেবে, মেয়েটি উপযুক্ত কাজ করেছে। সব নারী যদি তৎক্ষনাত এমন সাজা দিত তাহলে হয়ত এইসব অমানুষের সাহস হবে না আর।
.
এই নিউজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নারী সমাজ বেশ খুশিতে ভেসেছে!
সাহস হয়েছে তাদের মনেও!
কিন্তু এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া ঠিক না মনে করেন রায়ান সাহেব। কিন্তু আবার এ ও ভাবে যে দেশে ধর্ষণের বিচার হতে হতেই বছর পার হয়ে যায়, খুনির বিচার হতে হতে আবার হয় না সেখানে হ্যারাজমেন্ট এর কি বিচার হবে?
ভালোই হয়েছে নিজের বিচার নিজের করে।
.
.
এদিকে যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ছড়িয়ে পড়ায় মেয়েদের হুট করেই যেন সাহস বেড়ে গেছে।
বিকেলে এক কলেজ ছাত্রী পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট এ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাসায় ফিরছিল। ভীড়ে কোনো এক যুবক খুব বাজে ভাবে পেছন থেকে দাড়িয়ে মেয়েটির নিতম্বের সাথে নিজের পুরুষাঙ্গ দিয়ে ধাক্বানোর চেষ্টা করাতেই মেয়েটি সজোরে লাথি মারে যুবককে এবং পড়ে যাওয়ার পর এলোপাথারি লাথি দিয়েছে ঐ বাসে থাকা নারী গুলো সবাই!
পুরুষরা শুধু চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল। ওদের থামানোর সাহস করে নি!
রায়ান সাহেব ভাবছে শুধুমাত্র কটা পুরুষের এমন বেহাল দশার খবর পেয়েই মেয়েরা এত জোড় পেয়েছে!
তাহলে চলুক এমন শাস্তি!
.
কিছুক্ষণ পর তার আবেগ তাড়িত অবস্থা থেকে বের হয়ে নিজেকে বোঝাচ্ছেন একজন আইন রক্ষক হয়ে আইন ভাঙাকে সাপোর্ট করতে পারেন না!
কিন্তু আগের কেইস গুলোর কি হবে?
কোনো কিছুই তো বের করতে পেলেন না তিনি!
ততক্ষণে…

রূপসীনা খুকু

আসসালামু আলাইকুম, আমি খুকু, অদক্ষ হাতে হাবিজাবি লিখি আর সেটাই শেয়ার করছি আপনাদের সাথে! আশা করি ভালো লাগবে! :-D

এই রকম আরো পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close