ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং টিপস এন্ড ট্রিক্স

ডিজিটাল মার্কেটিং টিপস এন্ড ট্রিক্স

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সবচাইতে বেশি ক্রেতার কাছে পণ্যের প্রচার করা যায় এবং সবচাইতে বেশি ব্যবসায়িক সফলতা পাওয়া যায়। অনেক ধরণের ব্যবসা আছে যেগুলো গড়েই উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংকে কেন্দ্র করে।খুব সহজে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যায় বলে, অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য তো অবশ্যই এটি আশীর্বাদস্বরূপ।আসুন জেনে নিই কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্রেতার নিকট পৌঁছাতে আপনার কোন কৌশলগুলো অবলম্বন করা অবশ্যই করণীয় :

ডিজিটাল মার্কেটিং অটোমেশন সফটওয়্যার

ডিজিটাল মার্কেটিং অটোমেশন সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার অনলাইন মার্কেটিং অটোমেটিক করতে পারবেন। ক্লাউড বেসড এই সফটওয়্যারটি এতোই শক্তিশালী যে এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি ৩০ জন মার্কেটার এর কাজ আপনি একাই করতে পারবেন। এই সফটওয়্যারটি আপনার টীম এর প্রোডাক্টিভিটি বাড়াবে, কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ বাড়াবে, রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াবে, অনলাইন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার আর সেলস বৃদ্দির জন্য গ্রামীন ৩৬৫ মার্কেটিং অটোমেশন সফটওয়্যার অটোমেটিক আপনার জন্য কাজ করে যাবে।

 

১। পরীক্ষা মূলকভাবে দিনের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্ট

অধিকাংশ ব্যাবসায় কোম্পানিগুলোই ফেসবুকে তাদের পোস্টগুলো ট্র্যাডিশনাল বিজনেস আওয়ারে পোস্ট করে থাকেন। কিন্তু আপনার ভিজিটরদের একটা বড় অংশ বিদেশে থাকলে তখন কি হবে ? সেক্ষেত্রে আপনি দিনের বা রাতের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পোস্ট করে দেখতে পারেন । সেটা অবশ্যাই ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল নিয়ে আসবে। এটা নির্ভর করবে আপানার পণ্যের ইউজারদের ধরনের উপর। ট্রায়াল এন্ড এরর এর ভিত্তিতে আপনি আপনার পোস্টের জন্য সবচেয়ে ভাল সময়টি খুজে পেতে পারেন। অবশ্যই অটোমেটেড পোস্ট থেকে বিরত থাকা উচিত। দরকার হলে আপনি ফেসবুকের শিডিউল টুলটি ব্যাবহার করতে পারেন ।.এখানে একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। যখন একটা নতুন পোস্ট হবে আপনার অডিয়েন্স আশা করবেন যে, কেউ একজন জীবিত (জাগ্রত) আছেন । সেক্ষেত্রে আপনি যখন তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের প্রশের উত্তর বা কুইরির রিপ্লাই দিতে পারবেন না , তখন তারা বুঝে যাবে আপনি মৃত (ঘুমন্ত)। সেটি  অবশ্যই  আপনার জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না ।

 

২। ভিজিটরদের কে আলোচনার সুযোগ দিন

আপনি হয়ত নতুন একটি পণ্য বা নতুন কোন ডিজাইন নিয়ে আসতে চাচ্ছেন । সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ফ্যানদের থেকে তাদের ফিডব্যাক নিতে পারেন। আপনি হয়ত তাদের মাঝে একটা জরিপ চালাতে পারেন বা ভোটের মাধ্যমে আপনার নতুন লোগোও বা পণ্যের রং সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন যা আপনাকে আপনার ব্যাবসাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে। এটা শুধু আপনার পণ্যের ব্র্যন্ড লয়ালিটি বাড়াবে না ,এটা আপনার ফ্যানরা কি চাচ্ছে সে সম্পর্কেও আপনাকে একটা ধারণা দিবে।

 

৩। ছবি ব্যাবহার করুন কেননা এটি বেশি দিন স্থায়ী হয়

ইমেজ সাধারণত বেশি শেয়ার করা হয়ে থাকে । এক গবেষণায় দেখা গেছে শুধুমাত্র টেক্সট বা লিঙ্ক এর চেয়ে ইমেজ পোস্ট ২ গুন বেশি এনগ্যাজম্যান্ট পেয়ে থাকে। এজন্য আপনাকে দামি ডি এস এল আর ক্যামেরা কিনতে হবে না। আপনি আপনার স্মার্ট ফোনে ইনস্টাগ্রাম ডাউনলোড করে নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে স্ন্যাপ নিয়ে এবং আপনার ফেইসবুক পেজে আপলোড দিতে পারেন। শেয়ার করতে পারেন ভিডিও ও।

৪। আপনি নিজে নিজের সবচেয়ে বড় ফ্যান হউন

সাম্প্রতিক ট্রেন্ড সম্পর্কে জানতে আপনার বিজনেস পেইজের বাইরের ফেসবুককে ভালোভাবে বুঝতে হবে। তাই যদি ইতিমধ্যেই আপনার একটি ব্যাক্তিগত একাউন্ট না থাকে আপনি আজই একটি একাউন্ট খুলে নিতে পারেন। এটা আপনাকে আপনাকে ফ্যানদের চোখে আপনার ব্যাবসাকে দেখার সুযোগ করে দেবার পাশাপাশি আপনার প্রতিযোগীরা কি করছে তা দেখার এবং অন্যান্য ইউজারদের সম্পর্কে ধারণা নেবার সুযোগ করে দিবে।

৫। ফেসবুকের বাইরেও আপনার ফ্যানদের সাথে যোগাযোগ রাখুন

এটা আপনি আপনার ই-মেইল লিস্ট দিয়ে করতে পারেন। আপনি ইউজারদেরকে আপনার মেইল লিস্টে নাম লিপিবদ্ধ করার জন্য তাদেরকে ইন্সট্রাকশন দিতে পারেন। আপনার ফেসবুক পেইজে প্রাসঙ্গিক ও মজার কন্টেন্ট পোস্ট করুন।

৬। কল টু একশন ব্যবহার করুন

যেহেতু আপনি চান না ইউজার একবার মাত্র আপনার সাইট ভিজিট করে চলে যাক , তাই আপনি আপনার পেজের ট্যাবে একটি “কল টু একশন ” গ্রাফিক ব্যাবহার করতে পারেন। এটা লাইক বাটনের পাশে “লাইক এস” এর মত সাধারণ হতে পারে । ভিসিটররা যেন খুব সহজে আপনার ফ্যান এ পরিণত হয়ে তাদের ফিডে আপনাকে এড করে তার জন্য তাদেরকে সব রকমের সুযোগ দিন।

৭। হাইড এন্ড সিক খেলা

আপনার যা আছে তার চাহিদা তৈরি করুন। ভিসিটরদের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করুন তাহলে তারা আপনার পেইজে লাইক দিতে উৎসাহিত হবে। এগুলো হতে পারে বিশেষ কোন পণ্যের তথ্য, সাক্ষাৎকার, মেনু ইত্যাদি যা কিছু আপনার ব্যাবসার সাথে যায়।

বেশ কিছু উপায় আছে এটা করার (সেগুলো ও ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে) যেমনঃ এপস অব কাস্টম এফবিএমএল (ফেসবুক মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ)।এগুলোর কোন কোনটাতে যারা আপনার পেইজে লাইক দিবে তাদেরকে এক্সক্লুসিভ কন্টেন্টে এক্সেস পাবার অপশন রয়েছে ।

৮। সহজ ইউআরএল

আপনার বিজনেস পেজের জন্য একটি সহজ ও ছোট ইউঅরএল তৈরি করতে পারেন। এটা আপনার ফ্যানদেরকে আপনার পেইজ টি আরও সহজে খুজে পেতে সাহায্য করবে।

৯। সাপ্তাহিক পিন পোস্ট করুন

পিন্টারেস্ট এর পিন এর সাথে একে মেলাবেন না। ফেসবুক আপনার ব্যাবসার কোন পোস্টকে সপ্তাহের জন্য ফিচারড পোস্ট করে আপনার পেইজের উপরে রাখার সুযোগ দেয়। তাই যে তথ্য কে আপনি চাচ্ছেন সেটির আরো রিচ বাড়াতে । সেটা হতে পারে সেল , প্রমোশন বা কোন ইভেন্ট সেগুলোকে আপনি পেইজের উপরে রাখতে পারেন। পিন করতে আপনি নির্বাচিত পোষ্টে হোভার করে পেনসিল আইকন এ ক্লিক করে “পিন টু পোস্ট” সিলেক্ট করুন।

১০। মাইলস্টোন প্রদর্শন করুন

শুধুমাত্র আপনার রিলেশনশিপ আপডেট বা গ্রাজুয়েশনই ফেসবুক মাইলস্টোন নয় । আপনি আপনার কোম্পনির বিভিন্ন অর্জন গুলোকে তুলে ধরতে পারেন সেটা হতে পারে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, নিদিষ্ট সংখ্যক ফ্যান এর লক্ষ্য পুরণ অথবা নতুন কোন পণ্য সুচনা ।

ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ড :

১. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

বলা হয়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে এক সময় পুরো পৃথিবী ছেয়ে যাবে। মানুষের কাজ তখন প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। ২০১৯ সালে এসে মার্কেটিং-এর বাজারে একটি বড় অংশ দখল করে নিয়েছে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI। উদারহণ হিসেবে ফেসবুকের মেসেঞ্জার বটের কথাই ধরো। কোনো সেলিং কোম্পানিকে তুমি যদি মেসেঞ্জারে নক করো, তাহলে তারা প্রায় সাথে সাথেই উত্তর দিয়ে থাকে। আর তোমার চাহিদা অনুযায়ী যদি তাদের কাছে পণ্য চাও, তাহলে তোমার পছন্দমতো পণ্যও তারা দেখাতে পারে। এমনকি তোমার কেমন চাহিদা তার উপর ভিত্তি করে তারা পরবর্তীতেও তোমার সামনে তাদের পণ্য প্রদর্শন করে। তুমি যদি শার্ট কিনতে পছন্দ করো, তাহলে তাদের কালেকশনে নতুন শার্ট আসলে তা তোমাকে জানানো হবে। এরকম সুবিধা কে না পছন্দ করে?

২. চ্যাটবটস

ফেইসবুকে বর্তমানে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো এই চ্যাটবট। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা পরিচালিত এই চ্যাটবট ব্যবহারকারীর যেকোনো চাহিদা সহজেই অনুধাবন করে সেই অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করে থাকে। মূল উত্তরদাতার তুলনায় চ্যাটবট অনেক দ্রুত উত্তর দিতে পারে বলে ব্যবহারকারীরা এই চ্যাটবট ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের DUmamabot নামের চ্যাটবটের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা সহজেই বাস ছাড়ার সময় ও পরবর্তী বাস কখন আসবে তা জানতে পারে। এরকম চ্যাটবট এখন প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই ব্যবহার করা হয়।

৩. পার্সোনালাইজড ই-মেইল

বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত ধারা হলো নিজেদের মতো করে ই-মেইল পার্সোনালাইজড করা। বর্তমানে কোনো না কোনো কাজে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকের সাথে ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। তবে এক্ষেত্রে তারা যদি প্রচলিত ধারায় মেইল না পাঠিয়ে তাদের মতো করে কাস্টোমাইজ করে মেইল পাঠায় যাতে গ্রাহকের বুঝতে সুবিধা হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে ফলাফল বেশ ভালো পাওয়া যায়। গ্রাহকরাও তখন সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি অধিক আগ্রহ দেখায়।

. ভিডিও মার্কেটিং

সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ ভিডিও শেয়ারিং এখন এতো বেশি হয় যে, মার্কেটাররাও এর সুবিধা নিতে ভুল করেনি। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবহারের উপর লাইভ ভিডিও কিংবা পণ্যের মোড়ক উন্মোচনের লাইভ ভিডিও এখন গ্রাহকদের অনেক বেশি আকর্ষণ করছে। ভিডিও শেয়ারিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে নিজেদের বার্তা অনেক সহজেই তুলে ধরা যায়। অনেকে ৩৬০° ভিডিও ব্যবহার করে যা আরও আকর্ষণীয় করে তুলে পুরো ব্যাপারটিকে।

৫. সোশ্যাল মিডিয়া স্টোরি

প্রতিদিন প্রতি ঘণ্টায় কেউ না কেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টোরি আপলোড দিচ্ছেই। কী করছে, কী খাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে যাচ্ছে এই সবকিছু স্টোরিতে শেয়ার দেয়া লাগবেই। পণ্য বিক্রি করার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই স্টোরির সুবিধা নিচ্ছে। সেই সাথে দেখা যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের অ্যাফিলিয়েটরদের দিয়ে স্টোরিতে তাদের পণ্যের প্রমোশন করাচ্ছে। এধরণের প্রচারণা সত্যিই এখন বেশ প্রচলিত হয়ে উঠেছে এবং সবাই তা গ্রহণও করছে।এগুলো ছিলো বর্তমান সময়ে প্রচলিত বেশ কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ড।

ডিজিটাল মার্কেটিং ট্যাক্টিকস

. টার্গেট গ্রুপ কী পছন্দ করে তা খেয়াল করা

সোশ্যাল মিডিয়াতে এখন ভালো যেকোনো পোস্ট হলে তা শেয়ার করার হিড়িক পড়ে যায়। মার্কেটিং-এর জন্য তুমি এই জিনিসটি কাজে লাগাতে পারো। অনেক নামী রেস্টুরেন্ট এই বুদ্ধিটি কাজে লাগিয়ে তাদের পপুলারিটি বাড়িয়ে নিচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় দু’টি নির্দিষ্টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে এক প্রকার সোশ্যাল মিডিয়া যুদ্ধ লেগে যায় এই নিয়ে যে, কে কার চেয়ে মজার পোস্ট তৈরি করতে পারে। সাধারণ মানুষজন তা দেখে মজা পায় এবং শেয়ারও করে। এভাবে নিছক মজার ছলেই নিজেদের মার্কেটিং করে ফেলা যায়।

২. গ্রাহক যাতে একই সাথে মোবাইল ও ডেস্কটপ ব্যবহার করে সুবিধা নিতে পারে তার ব্যবস্থা করা

বর্তমানে প্রায় সব ধরণের ব্যবসার জন্য একটি নিজস্ব ওয়েব সাইট ডেভেলপ করা হয়। ধরে নিলাম আপনি  অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার জন্য একটি ওয়েব সাইট বানাবেন। এখন আপনাকে দেখতে হবে গ্রাহকরা কোন মাধ্যমে আপনার ওয়েব সাইটে বেশি এক্সেস করতে পারে। আপনি যদি কেবল ডেক্সটপের জন্য সাইট ডেভলপ করেন তাহলে দেখা যাবে খুব একটা গ্রাহক পাবেন না। কারণ বেশিরভাগ গ্রাহক এখন মোবাইল ফোন ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই দেখা যাবে ব্যবসার শুরুতেই আপনি গ্রাহকদের একটি বড় অংশ হারিয়ে ফেলছেন যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এজন্য আপনি মোবাইল ফোনের গ্রাহকদের জন্য আলাদা ওয়েব ডিজাইন অথবা একটি অ্যাপের ব্যবস্থা করে ফেলতে পারেন।

. সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানোর ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দাও

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি বড় অংশে পরিণত হয়ে গিয়েছে। যেহেতু মানুষজন এখন দিনের একটা বড় অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটিয়ে দেয় তাই এর মাধ্যমে তাদের কাছে নিজেদের মার্কেটিং করা তুলনামূলক অনেক সহজ। অনেক সময় দেখা যায় মাঠ পর্যায়ে প্রচারণার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো অনেক বেশি কার্যকরী। সেই সাথে নিজদের সমস্ত কাজ আপডেটেড রাখার জন্যও মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। এতে গ্রাহকরা অনেক বেশি আকৃষ্ট হয়।

৪. ওয়েবসাইট ডেভলপ করার সময় গ্রাহকের সাথে সরাসরি কথা বলার ব্যবস্থা রাখো

যেকোনো ব্যাপারে গ্রাহকদের মতামতে গুরুত্ব দেয়া বর্তমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকরা তাদের মতামত যাতে তুলে ধরতে পারে সে জন্য যেকোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ডেভলপ করার সময় তা খেয়াল রাখতে হবে। তাছাড়া গ্রাহকদের সাথে সরাসরি কথা বলারও ব্যবস্থা থাকা উচিত। তাহলে গ্রাহকদের যদি তাৎক্ষণিক কোনো জিজ্ঞাসা থাকে তা করতে পারবে। এজন্য তুমি চাইলে একটি মেসেঞ্জার বটেরও ব্যবস্থা করতে পারো।

৫. একটি টার্গেট ই-মেইল গ্রুপ রাখো

যখন তুমি নতুন কোনো পণ্য আনবে তা সাথে সাথে তোমার প্রিয় গ্রাহকদের জানানোর সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হলো তাদেরকে ই-মেইল অথবা মেসেজের মাধ্যমে জানানো। এতে করে যে সকল গ্রাহক তোমার থেকে নিয়মিত পণ্য কেনে তাদের সাথে যোগাযোগ বেশি হবে এবং ঘনিষ্ঠতা বাড়বে আগের থেকে। নিজের সফলতার জন্য এ ধরণের গ্রাহকের তালিকা রাখা অত্যন্ত জরুরি।

এবার কিছু বইয়ের তালিকায় লক্ষ্য করুন  যেগুলো ২০১৯ সাল পর্যন্ত মার্কেটিং এর উপর সর্বাধিক বিক্রিত বই। এসব বই থেকে আপনি মার্কেটিংয়ের ব্যাপারে আরও বেশি এবং স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারবেন ।

  • Icarus Deception by Seth Godin
  • Hooked : How to Build Habit-Forming Products by Nir Eyal
  • Influence : The Psychology of Persuasion by Robert Cialdini
  • How Brands Become Icons by Douglas B. Holt
  • The Undoing Project by Michael Lewis
  • Blink : The Power of Thinking Without Thinking by Malcolm Gladwell
  • Misbehaving : The Making of Behavioral Economics by Richard Thaler

 

তথ্যসুত্রঃ

https://mikekhorev.com/12-effective-digital-marketing-tactics-strategies-2018-beyond

টপিকঃ

MD. Khurshidul Alam Shanto

Assalamualaikum , Myself Shan from Gazipur Cantonment.Recently i have been completed my higher secondary education level from Gazipur Cantonment College and I am now working on my dream projects and many more specific special projects.In sha Allah soon i will start my dream job.

এই রকম আরো পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close