নন ফিকশনমিথোলজিসত্য ঘটনাহরর

জ্বীন – ( ১ম পর্ব)

According to Islam…..

The Jinn ( Genies) আরবি অর্থে ( Al-Jinn, Al- Jinni), ইসলাম ধর্মে এটা সম্পর্কে আমরা সবাই অগবগত আছি। এদের কথা ইসলামে স্পষ্ট ভাবেই লেখা আছে। হয়ত অদৃশ্য কোন পৃথিবীতে এদের বসবাস।

আরবীয় কথা কোরআন এ অনেক জীন এর কথা উল্লেখ করা রয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলঃ
মারিদ,
ইফরিত,
জীন।

এছাড়া
জান,
ঘোউল,
শায়তান্স,
হীন
শীক। এর কথাও উল্লেখ রয়েছে।

নিচে জীন দের সম্পর্কে কিছু বর্ননা দিয়ে দিচ্ছিঃ

Ghoul : এদের বাংলায় পিচাশ ও বলা হয়। এরা দেখতে অনেক রাক্ষুসে টাইপ। দৃশ্যমান অবস্থায় থাকে। এবং এরা রক্ত মাংসের যেকোন কিছুই এরা খায়। যেমনঃ যেকোন প্রানী, এবং কবের লাশ ও এরা খেয়ে থাকে। তবে কিছু জায়গায় উল্লিখিত আছে এরা বাচ্চাদের লাশ ও শিকার এর তালিকায় রাখে। এবং এই সমস্ত আরবের একটি বিখ্যাত বই The Book of 1001 Nights এ উল্লেখ রয়েছে। এদের ভিতর Male, Female উভয় বিদ্যমান। তবে Female দের Ghula বলা হয়। এবং এরা মানুষের মত ই থাকতে পারে। এবং আশ্চার্য জনক হল এরা যেকোন মানুষ কে বিয়ে করার ক্ষমতা রাখে। তবে সেই তালিকায় পুরুষ এর থাকাটা ব্যাপক। এবং যাদের বিয়ে করে তারাই তার শিকার হয়।

এদের বসবাসঃ আগেই বলে রাখি এরা Nocturnal Creatures তাই এরা বেশীর ভাব কবর স্থানের আশে পাশেই অবস্থান করে৷ এবং নিরব শুনশান জায়গা ও এদের পছন্দের তালিকায় থাকে। তবে Arabian Lore এর মতে এরা দীর্ঘ সময় মরা মানুস এর মত মরে যাবার ভান করে কবর খানায় একটু লম্বা সময় পার করে, তবে সেটা একটু কোন গোপন সমাধিকেই বেছে নেয়। মরুভুমি তেও এরা থেকে থাকে।

পার্সিয়ান মতে বলা হয় Ghoul এর পা দেখতে অনেকটা গাধার মত, এবং এদের শিং দেখতে ছাগলের শিং এর মত।

Hinn:- এটি জীন সম্প্রদায়ের ভিতর আরেকটি জীন। এরা সাধারনত প্রানী দের আশে পাশেই থাকে। (গৃহ-পালিত প্রানী ও সেই তালিকায় থাকবে) Specially এরা কুকুর এর রুপে থাকে। এদের Exist বলা হয়েছে The Book Of Jinn, এবং এদের আরবে, ইন্ডিয়া, পার্সিয়া তে দেখা গিয়েছে। তবে এরা যেকোন জায়গায় থাকতে পারে। হয়ত সেটা আমার আপনার পাশে। The Book of Jinn এ এর সম্পর্কে লেখা আছে। আমি একটা কথা add করবো সেটা হল Probably রাতের বেলা কুকুর অপ্রয়োজনে ডাকা, বা কান্নার কারন নিশ্চই আপনি এখন একটু হলেও আচ করতে পারছেন।

তবে আমার মনে হয় বহুল আলোচিত “জুজু” যাকে আমরা একটা হিংস্র জন্তু বলে চিনি (ভূত) হয়ত হতে পারে সেটা Hinn সম্প্রদায়ের। জুজু নিয়ে যেহেতু বলেই দিয়েছি, কাল জুজু নিয়ে একটি পোস্ট দিবো।

এদের খাবার তালিকা আমি কোথাও খুজে পাই নাই। সম্ভবত এরা মেয়েদের মত ডায়েট করে স্লিম ফিগার রাখতে চায়।( এটা একটা Myth কেউ সিরিয়াস্লি নিবেন না।)

এখন বলবো another most Powerful Jinn এর সম্পর্কেঃ

Ifrit: Variant (Afrit) এরা নারী পুরুষ উভয় ই হতে পারে। মানে জেন্ডার বুঝাইলাম। এই Ifrit জীন King Soloman এর নির্দেশে শেবা রানীর সিংহাসন অর্জন করেছিল। জীন দের ভিতর এ অনেক শক্তিশালী এবং একে নিয়ন্ত্রন করা কঠিন। Ifrit রা তাদের শক্তির জন্য খ্যাত। এবং এরা নরকের একটি শ্রেনিতে থাকে। এদের দেখতে অনেক টা আগুনের ফুলকি যুক্ত বিশাল পাখা ওয়ালা প্রানী দের মত। এরা নারী জেন্ডার, ও পুরুষ জেন্ডার এ বিভক্ত। এদের বসবাস মাটির ভূগর্ভে। এদের সম্প্রদায় অনেক টা রাজা দের সাম্রাজের মত৷ যেখানে রাজা, এবং এদের গোষ্ঠী দারা বিদ্যমান। এরা সাধারনত একে অপর কে বিয়ে করেন। তবে এরা চাইলে মানুস কে ও করতে পারে। এদের কোন অস্ত্র বা বাহিনী ক্ষমতা নেই৷ এরা জাদু বিদ্যার উপর নির্ভরশীল। যেন মানুস তাদের ধরা বা হত্যা করতে না পারে বা দাসত্ব হিসেবে ব্যবহার না করতে পারে। হয়ত এদের ভিতর ভাল বা মন্দ আছে। তবে বেশীর ভাগ ই মন্দ এবং খারাও হিসেবে বিবেচিত।

Marid: Arab Folklore এর মতে Marid জীন অনেক শক্তীশালী। Marid সম্পর্কে আরবীয় Myth এ উল্লেখ করা আছে। Marid শব্দ আরবি শব্দ যার মানে দাড়ায় দ
দৈত্য মারিদ জীন অধিক শক্তিশালী জীন হিসেবে পরিচিত। অন্যন্য জিনের থেকে তারা নিজের অনেক গর্বিত মনে করে। লোককাহিনী মতে এরা দেখতে নীল রঙ এর শেপ এর মত৷ ধরা হয় এই জীন দেখিতে অনেক টা Disney Present Aladin মুভির সেই বিশাল দৈত্য এর মত। (এটা একটা Myth)

জীন বিদ্রোহের সময় এদের সাথে ফেরেস্তা (Angel) এর মধ্যকার একটু বিশাল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ফলাফল সরুপ বেশীর ভাগ জীন অনুগত সহকারে জীন রাজ্যে ফিরে যায়, কিন্তু কিছূ মারিদ তা অস্বিকার করে এবং তারা পৃথিবীতে চলে আসে। মাঝে মাঝে এদের বিচরন মরুভুমি তে বৃদ্ধ দের আকারে দেখা যায়। যার কারনে মরভুমি তে একা একা চলার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। একটি ব্লাক মারিদ জীন কে সব সময় আল্লাহ রাজা সোলাইমান এর পাশে নিযুক্ত করেছিলেন, যখন রাজা সোলাইমান জীন দের উপর শাসন কার্যে নিযুক্ত ছিল। সেই কালো মারিদ জীন অনেক জীন কে শাস্তি প্রদান করতো রাজা সোলাইমান এর কথায়, কিন্তু কালো মারিদ জীন সেটা কখনো করতে চাইতো না। মানে জীন দের শাস্তি দেয়া সে কখনো সাভাবিক ভাবে নিতো না।

এখন আমি আমার সাথে ঘটা একটা ঘটনা বলবো, আমি যখন এই আর্টিকেল টা লিখছিলাম তখন ঘড়িতে রাত ২ঃ৪৫, আমি সাধারনত এই সব লেখা গুলি রাতের বেলা তেই লিখি। তো ঘটনা টা ছিলো, আমি যখন Ghoul নিয়ে লেখা শুরু করবো ঠিক তখন ই এক লাইন লেখার পর থেকেই আমার একটু অস্বস্তি বোধ করছিলো, কোন ভাবেই আমি লেখা মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। ঘুড়ে ফিরে আমি সব কিছুই ভুলে যাচ্ছি লাম। কেমন যেন মনে হচ্ছিলো আমাকে কেউ দূর থেকে কেউ ফলো করছে, আমি অনেক চেস্টা করছিলাম লেখার দিকে মনোযোগ দেয়ার কিন্তু সেটা পারছিলাম না। বলে রাখা ভাল আমি সাধারনত লেখার সময় মাথা ঠান্ডা আর ফ্রেস করে লিখতে বসি। জানি না কাল কি এমন হয়েছিল। কিন্তু আমি ব্যাপার গুলা নরমাল ভাবে নিতে শুরু করি, চিন্তা করছিলাম হয়ত বেশী স্ট্রেস হয়ে যাচ্ছে। এর পর আবার লিখতে লিখতে যখন ঘোউল এর মাঝামাঝি গেলাম, আমি নরমালি লেখার সময় বিছানায় বসেই লিখতে পছন্দ করি। আর লেখার মাঝে মাঝে আমি ড্রয়িং রুমে তাকানোর একটা অভ্যাস আছে। তো কাল ও একই রকম ভাবে লিখতে লিখতে হঠাৎ ড্রয়িং রুমে চোখ, এবং নোটিশ করি কোন একটা Black Type shape ড্রয়িং রুম ক্রস করে kitchen এএ দিকে চলে যাচ্ছে। আমি তাড়াতাড়ি ড্রয়িং রুম থেকে কিচেনে যাই বাট everything was normal , আমি ব্যাপার টা নরমালি নিয়েছিলাম, যে হয়ত এটা আমার হ্যালুসিনেশিন। যাই হোক তারপর আমি আবার লিখতে বসি, ঠিক ৪০-৪৫ মিনিট পর আমি same shape টা আবার notice করি, সেটা হল সে কিচেন এর থেকে same way তে ওয়াশরুমের দিকে চলে গিয়েছি। এর পর আমার একটু ডাউট ফিল হয় আমি একই ভাবে আবার গিয়া সব ই নরমাল। বলে রাখা ভাল আমার কিচেন আর washroom ২ দিকে। যাই হোক আমি একটু confusion এ পড়ে যাই। যে একবার আমার মনের ভুল হতেই পারে, কিন্তু ২য় বার কি ছিল? আমি তখনো আর্টিকেল টার সেই এক ই জায়গায় আটকে ছিলাম। কোন ভাবেই Ghoul পার্ট লিখতেই পারছিলাম না। তো এক পর্যায় চোখে মুখে পানি দিয়ে ব্যাপার গুলি ইগ্নোর করে আমি লেখা বন্ধ কিরে আমি মেসেঞ্জারে গ্রুপে চ্যাটিং করতে থাকি, নিজেকে একটু রিল্যাক্স রাখার জন্য। এইভাবে ৩০ মিনিট পর সব কিছু নরমাল হলে আমি আবার লিখতে বসি, আর চিন্তা করি এইবার যেভাবেই হোক আমি লেখা চালায় যাবো। এই ভেবে লিখতে লিখতে আর সব কিছু খুজে বের করতে করতে সকাল ৬ঃ৫০ বেজে যায়। আর তত সময়ে আমার লেখা শেস হয় প্রথম পর্ব।

তারপর চিন্তা করি বালিশে মাথা দিয়ে যে যদি সত্যি রাতের ঘটনা সত্য হয় তবে আজ কের লেখা টা আমার শ্রেষ্ঠ লেখা হবে। আর আমি প্যারানরমাল নিয়ে লিখি ঠিক ই কিন্তু আগে কখনো এমন incident আমার সাথে হয় নাই। যাই হোক আজ রাতে আবার ২য় পর্ব লিখবো। তবে যাই হোক কোন আমি ঘটনা টা নরমালি নিয়েছি, জানিনা এটার কি কারন। আমি এটাকে স্বরনীয় করে রেখে দিলাম। তাই আজ রাতে ভাবতেছি “জুজু” নিয়াই লিখবো।


Berlin Man

পরিচয় জেনে কী হবে? থাকনা কিছু কথা গোপন!

এই রকম আরো পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close